কাঁচা ডিম খাওয়ার উপকারিতা – নাকি ক্ষতি কোনটি বেশি?

কাঁচা ডিম খাওয়ার উপকারিতা কি আদৌ আছে? আমরা অনেকেই বিশ্বাস করি যে, কাঁচা ডিম খাওয়ার উপকারিতা অনেক, রয়েছে নানা রকম গুণাগুন। এই কথা গুলো কতটুকু সত্য? আজকের নিবন্ধে আমরা আলোচনা করবো কাঁচা ডিম খেলে কি কি উপকার পাওয়া যায় কিংবা কাঁচা ডিম খাওয়ার কারনে আমাদের কি কি ক্ষতি হতে পারে? তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

কাঁচা ডিম খাওয়ার উপকারিতা

কাঁচা ডিম খাওয়ার ঝুঁকি কী?

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কাঁচা ডিম খাওয়ার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হ’ল সালমোনেলোসিস বা সালমনোলা বিষ। এটি হ’ল এক ধরণের ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া যা আমাদের হজম এবং অন্ত্রের সিস্টেমকে হস্তক্ষেপ করে। এগুলি ডিমের কোষে বা ডিমের তরল অংশে পাওয়া যায়।

কাঁচা ডিমে উপকারিতা – নাকি ক্ষতি কোনটি বেশি?

  • আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন যে, কাঁচা ডিম খুব সহজে হজমযোগ্য নয়।  কাঁচা ডিমের সাদা অংশে পরিপাক বিরোধী, এটি কাঁচা খেলে বমি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কেননা হজম না হওয়া পর্যন্ত আপনি অস্বস্তি অনুভব করবেন।
  • কাঁচা ডিম খাওয়ার কারনে শরীরে বায়োটিনের অভাব হতে পারে। আর এ জন্য ত্বকে প্রদাহ হতে পারে, ওজন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা এবং জিহ্ববার রুক্ষতা হতে পারে। 
  • কাঁচা ডিমের মধ্যে বেশিরভাগ সময়ই সালমোনেল নামক ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান পাওয়া যায়। আর এর কারনে পেট ব্যথা, বমি এবং টাইফয়েডের মত রোগ হতে পারে।

তাই ডিম কাঁচা খাওয়ার চেয়ে রান্না করে বা সেদ্ধ করে খাওয়া উচিত। কেননা ডিম রান্না বা সেদ্ধ করে খেলে এর এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় না, বরং এতে ডিমের পুষ্টিগুণ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া যেহেতু ডিম কাঁচা খেলে নানা ধরনের রোগ হতে পারে তাই এটি কাঁচা না খাওয়াই ভালো। অতএব বুঝা গেল যে, কাঁচা ডিম খাওয়ার উপকারিতা ‘র চেয়ে অপকারিতাই বেশি।

>> হাঁসের ডিমের উপকারিতা | পুষ্টিগুণ | ত্বকের যত্নে হাঁসের ডিম!

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *