হাঁসের ডিমের উপকারিতা | পুষ্টিগুণ | ত্বকের যত্নে হাঁসের ডিম!

হাঁসের ডিমের উপকারিতা – হাঁসের ডিম সবসময়ই আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় থাকে। প্রতিনিয়ত এর চাহিদা যেমন বাড়ছে ঠিক তেমনি উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সকালের  নাস্তা কিংবা দুপুর অথবা রাতে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পুষ্টিকর খাবার হিসেবে আমরা ডিম রাখি। 

এই নিবন্ধে আমরা  হাঁসের ডিমের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে গভীরভাবে আলোচনা করব।  চলুন বিস্তারিত শুরু করি। 

হাঁসের ডিমের পুষ্টিগুণ:

 ১টি গ্রাম হাঁসের ডিমে থাকে-

  •        ১৮১ কিলোক্যালরি
  • প্রোটিন ১৩.৫ গ্রাম
  •     ফ্যাট ১৩.৭ গ্রাম
  •     ক্যালসিয়াম ৭০ মিলি গ্রাম
  •     লোহা ৩ মিলি গ্রাম
  •   ভিটামিন এ ২৬৯ মাইক্রোগ্রাম

ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে  হাঁসের ডিমের উপকারিতা:

 হাঁসের ডিমের উপকারিতা

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে ভিটামিন বি ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে। আটটি ভিটামিন বি রয়েছে , যার প্রতিটি ত্বকের জন্য দারূণ ভাবে কাজ করে। হাঁসের ডিমে এই ৮ টি ভিটামিন বি এর সবগুলোই  রয়েছে:

  • এতে আছে ভিটামিন বি ১, “এন্টি স্ট্রেস ভিটামিন” স্ট্রেস-সম্পর্কিত ্সমস্যাগুলি রোধ করতে সহায়তা করে।
  • ভিটামিন বি ২ কোলাজেন বজায় রাখতে এবং প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে।
  • এতে আছে ভিটামিন বি ৩ ব্রণ, একজিমা এবং ডার্মাটাইটিসে সহায়তা করতে পারে।
  • ভিটামিন বি ৫ ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখে।
  • ভিটামিন বি ৬ চাপের সাথে লড়াই করতে এবং পর্যাপ্ত ঘুম পেতে, প্রদাহ এবং শুষ্ক ত্বককে প্রতিরোধ করতে শরীরকে সহায়তা করে।
  • এতে আছে ভিটামিন বি ৭ যা ত্বককে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে এবং ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে।
  • ভিটামিন বি ৯ কোষের পুনর্জন্মকে উত্সাহ দেয়, এই প্রক্রিয়া যার দ্বারা শরীর ক্রমাগত মৃত ত্বকের কোষগুলিকে নতুন করে প্রতিস্থাপন করে।
  • ভিটামিন বি ১২ ব্রণ, শুষ্কতা এবং প্রদাহ হ্রাস করে।

হাঁসের ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ

 এটির  অসংখ্য উপকারিতা রয়েছে।  নিম্নে আমরা গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্য উপকারিতা তুলে ধরবো-

  •   মস্তিষ্ক বিকাশে সহায়তা  করে
  •  হার্টের রোগ প্রতিরোধ করে, হার্ট সুস্থ রাখে
  •  ক্যান্সার প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী, আপনাকে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।
  •  শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
  •  ভয়ঙ্কর ট্রাইগ্লিসারাইড এর মাত্রা হ্রাস করে
  •  হাঁসের ডিম উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার
  •  হরমোন  তৈরিতে মানবদেহে সহায়তা করে
  •   দৃষ্টিশক্তি  উন্নত করে
  •   হাঁসের ডিমে  কোলেস্টেরল বেশি থাকলেও  রক্তের কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে না।
  •  হাঁসের ডিম উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ, তাই ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি করে
  • হজম সিস্টেমকে সহায়তা করে

হাঁসের ডিমের উপকারিতা অত্যধিক। আমাদের  প্রতিদিনের খাবার তালিকায় কমপক্ষে একটি হাঁসের ডিম রাখা উচিত।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *