ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম-যে ৯টি কারনে ডুমুর ফল খেতে পারেন!

ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম – ডুমুর, সকলের কাছে একটি পরিচিত ফল।  অযত্নে আর অবহেলায় বেড়ে ওঠা এই ফলটি ঝোপঝাড়ে দেখা যায়। নরম এবং হালকা মিষ্টি জাতীয় এই ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম জানার আগে চলুন একবার ডুমুর সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক। 

ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম 

ডুমুর ফল

আমাদের দেশের মানুষের কাছে ডুমুর অতি পুরনো এবং প্রাচীন একটি ফল। এই ফল আবার অনেকের কাছেই অচেনা। ডুমুর গাছ গ্রাম অঞ্চলে দেখা যায়। মধ্যেপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ গুলোতে ডুমুর বানিজ্যিক ভাবে চাষ করা হয়। 

ডুমুর, নরম এবং মিষ্টি জাতীয় ফল। এর উপরে একটা পাতলা আবরণ থাকে এবং ভেতরে দানার মতো ছোট ছোট বীজ থাকে। ডুমুরের রয়েছে অনেক উপকারিতা। 

ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম ও বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা ভিডিও তে দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ডুমুর পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। এই ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম অনেকের কাছে অনেকরকম। ডুমুর বিভিন্ন জাতের হয়ে থাকে। আমাদের দেশে যে ডুমুর পাওয়া যায় তাকে কাকডুমুর বলা হয়। আকারে ছোট বলে একে পাখির খাবার হিসেবেও গন্য করা হয়। 

আমাদের দেশে ডুমুর ফলের চেয়ে তরকারির প্রচলন বেশি। ভর্তা থেকে শুরু করে নানা রকম ভাবে রান্না করে খাওয়া যায় এই ডুমুর। ডুমুরের উপকারিতা অনেক বেশি। এর রয়েছে অজানা অনেক পুষ্টিগুণ। এবার জেনে নিন ডুমুরের ঔষধি গুণ এবং ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম। 

ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম 

ডুমুর ফল হিসেবে বেশ উপকারী। এটি কাঁচা কিংবা পাকা অবস্থায় রান্না করে খাওয়া যায়। 

১. জ্বর হলে কাঁচা ডুমুর রান্না করে খেলে টনিকের মতো কাজ করে। 

২. আমাশয়ের রোগী কাঁচা ডুমুর চিবিয়ে খেলে আমাশয় ভালো হয়।

৩. মেয়েরা মাসিকের সময় অতিরিক্ত স্রাব হলে ডুমুরের সাথে সামান্য মধু মিশিয়ে খেতে পারে। এতে অনেক উপকার হয়৷ 

৪. অধিক স্রাব বন্ধ করতে দুধ ও চিনির সঙ্গে ডুমুরের রস একত্রে মিশিয়ে খেতে পারেন। 

৫. আমাশয় হলে ডুমুরের কচি পাতার সঙ্গে আতপ চাল চিবিয়ে খেলে আমাশয় ভালো হয়। এক্ষেত্রে পরপর তিন দিন খেতে হবে। 

৬. আপনার যদি রক্ত আমাশয় হয়ে থাকে তবে ডুমুর গাছের ছাল রস করে তাতে মধু মিশিয়ে খেলে উপশম হয়। এক্ষেত্রে ২ বেলা করে খেতে হবে। 

৭. ডায়াবেটিস রোগে ডুমুর গাছের মূল অনেক উপকারী।

৭. হেঁচকি ওঠা রোগে ডুমুরের বাইরের অংশ কেটে ১ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর ঐ পানি ছেঁকে আধাঘন্টা পরপর খেলে হেঁচকি ওঠা বন্ধ হবে। 

৮. মাথাঘোরা রোগে, ডুমুর ভাজা করে খেলে মাথা ঘোরা ভালো হয়। 

৯. ডুমুর  রক্তপিত্তা, রক্তপ্রদর, রক্ত পড়া অর্থাৎ রক্ত হীনতা দূর করে।

উপসংহার

সর্বপরি বলা যায়, ডুমুর অত্যন্ত উপকারী একটি ফল। এতে রয়েছে অনেক ঔষধি গুণ। যেহেতু ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম জানতে পারলেন, সুতরাং আজ থেকে খাদ্য তালিকায় ডুমুর রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

কেননা, ডুমুরে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান ব্রংকাইটিস এবং এ্যাজমার মতো শ্বাস প্রশ্বাস জনি।।রোগ সারতে পারে। এবং অনেক ডাক্তার প্রায়শই ডুমুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। 

পুষ্টিকর খাবার ও ফলমূল নিয়ে আরও পড়ুন…

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top