বাচ্চাদের খাবার রেসিপি । ফল রাখুন প্রতিদিনের খাবার রুটিনে!

বাচ্চাদের খাবার রেসিপি -আমরা প্রত্যেকেই ছোট বাচ্চাদের নিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি। বাচ্চাদের তো নানান অসুখ লেগেই থাকে। তখনি আমরা মা-বাবারা খুব দ্রুতই ঔষধ খাওয়াতে শুরু করি।

কিছু সময় তো তেতো ঔষধ ও খাওয়াতে হয়। যার জন্য আমরা তাদেরকে চকলেট দিয়ে ঔষধ খাওয়ানোর চেষ্টাকরি। এই ক্ষেত্রে আমরা তাদের হাতে ফল দিতে পারি, বাচ্চারা ফল খেতে ভালোবাসে।

বাচ্চারা ফল ভালবাসার প্রধাণ কারন হলো- বেশিরভাগ ফলেই টক-মিষ্টি  দুটো স্বাদই একসাথে পাওয়া যায়। তাজা আর শুকনো ফল বাচ্চাদের বিভিন্ন অসুখে খুবই কার্যকর।

তাজা ফল- বাচ্চাদের খাবার রেসিপি তে তাজা ফল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাজা ফলের মধ্যে কমলালেবু, আঙ্গুর, পেয়ারা, ডালিম, আপেল ও কলা অন্যতম।

শুকনো ফল- বাচ্চাদের খাবার রেসিপি তে শুকনো ফল গুলোও বেশ কার্যকর। এর মধ্যে বাদাম, কিচমিচ এবং খেজুর খাওয়ালে শিশুদের স্বাস্থের উন্নতির পাশাপাশি স্মৃতিশক্তিও বৃদ্ধি পাবে।

আরো জানুন- খেজুরের ৯টি প্রমাণ-ভিত্তিক স্বাস্থ্য উপকারিতা

বাচ্চাদের খাবার রেসিপি তে কলা রাখুন-

পুষ্টির অভাব জনিত শিশুদের দৈনিক পাকা কলা খাওয়ালে স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে পেট যাতে খারাপ না হয় কিংবা পায়খানা এঁটে না যায়। কলা খুবই শক্তিশালী খাবার হিসেবে পরিচিত। তাই আপনার বাচ্চাদের খাবার রেসিপি তে কলা রাখুন।

আরো জানুন- ৫ টি অবাক করা কলার উপকারিতা জেনে নিন-

কমলা গুণাগুণ জানুন-

বাচ্চাদের খাবার রেসিপি

যে সকল শিশুরা মায়ের দুধ পায় না তারা বেশির ভাগই পুষ্টিহীনতায় ভোগে। আর এ কারণে শিশুর ওজন কম হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, এই ধরণের শিশুদের নিয়মিত পাকা কমলার রস খাওয়ালে শরীর সুস্থ থাকে এবং অসুখ কম হয়।

কমলার রসের সাথে মধু মিশিয়ে বাচ্চা কে খাওয়ালে বিভিন্ন অসুখের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। পাশাপাশি বাচ্চার ওজন ও বৃদ্ধি পাবে।

আরো জানুনকোনটি প্রসেসড মধু আর কোনটি খাঁটি মধু- জেনে নিন মধুর গুণাগুন ও উপকারিতা সমূহ

এছাড়াও গরু বা ছাগলের টাটকা দুধ (ঠান্ডা) দুই ভাগ সামান্য গরম পানি এক ভাগ এবং কমলার রস এক ভাগ মিশিয়ে খাওয়ালে শিশু নানান রোগের হাত থেকে মুক্তি পাবে।

বাচ্চাদের খাবার রেসিপি তে আঙ্গুরের উপকারিতা-

বাচ্চাদের খাবার রেসিপি

প্রতিদিন অল্প পরিমানে আঙ্গুরের রস খেতে পারলে ছোট কিংবা বড়দের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে। এছাড়া পেট পরিষ্কারের পাশাপাশি অসুখ কম হবে।

সকাল-বিকাল এক চামুচ আঙ্গুরের রস শিশুদের খাওয়ালে অকারণে কান্না, ঘ্যানঘ্যানানি ভাবটাও কমবে। শরীরের শুকনো ভাব, শুকনো কাশি দূর হবে।

আঙ্গুরের রসের সাথে মধু মিশিয়ে খাওয়ালে ভাল উপকার পাওয়া যায়। এতে শিশুর হাসি-খুশির ভাব আসবে এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হবে। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে আঙ্গুরের রসে শিশুর পেট যাতে খারাপ না হয়।

বাচ্চাদের খাবার রেসিপি তে পাতিলেবুর উপকারিতা-

স্কার্ভি ও চর্ম রোগে পাতিলেবুর রস, মধু ও ওলিভ-অয়েল যদি খাওয়ান যথেষ্ঠ উপকার পাবেন। (যতটা পরিমাণে খেলে শিশুর সহ্য হবে)।

আরো জানুন-

বাচ্চাদের খাবার রেসিপি তে আপেল-

বাচ্চাদের খাবার রেসিপি

কমবেশি সব শিশুদের পেটে গন্ডগোল দেখা দেয়, এ ক্ষেত্রে আপনার শিশুকে সব ফল খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন। তবে আপেল খেলে পেটে সমস্যা হয় না। সেদ্ধ আপেলে পেটের পিড়া দূর হয়।

শিশুর পেতের সমস্যায় কোন ভাবেই তাকে কমলালেবু দেয়া যাবে না।

শিশুর যত্নে শেষ কথা-

বাচ্চাদের সুস্থ্যতায় ফলের ভূমিকা প্রচুর। তাই আজ থেকেই আপনার শিশুর প্রতিদিনের খাবার রুটিনে ফল রাখুন।

সুস্থ্য থাকুক সকল শিশু, এটাই আমাদের কামনা। সুস্থ্য থাকুন, সুস্থ্য রাখুন।

সবশেষে একটা কথা, লেখাটি ভালো লাগলে আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না যেন! ধন্যবাদ।।

***লিখেছেন-কানিজ নিপু***

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *